বুধবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৬

খোসপাঁচড়া ও চুলকানি (SCABIAE)


                চুলকানি বা খোসপাঁচড়া খুবই সংক্রামক রোগ।অত্যন্ত ছোয়াচে এবং স্পর্শকাতর এই রোগকে পারিবারিক রোগও বলা হয়।এরোগটি পরিবারের একজনের হলে,অন্য সদস্যদের খুব তাড়াতাড়ি হয়।
বিশেষ করে অপরিস্কার,নোংরা পরিবেশে এই রোগ বেশি ছড়ায়।
এই রোগে সারা শরীর চুলকায়,এমনকি আক্রান্ত স্থানে পুজও হতে পারে।
ছোট ছেলেমেয়েরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।মহিলাদের ক্ষেত্রে স্তনের বোটায় এবং পুরুষের ক্ষেত্রে লিঙ্গ ও অন্ডকোষে বেশি দেখা দিতে পারে।


লক্ষনঃ
           #আক্রান্ত স্থানে চুলকানির তীব্রতা বাড়ে।চুলকালে আরামবোধ হয়।
           #শুরুতে এ রোগ বগলের নিচে,হাটুর পাশে,হাতের ভাজে,কিংবা হাত পায়ের আঙ্গুলের ফাকে ফুস্কুরির মত জল ফোটের সৃষ্টি করে আর প্রচন্ড চুলকায়।
           #নাভির চারিপাশ দিয়েও আক্রমন করতে পারে।
           #চুলকানির জায়গা লাল হয়ে যায়,এবং পরে পুজ হয়।

চিকিৎসাঃ
১।পুজ হলে CLOXACILLIN  যুক্ত ঔষধ ভালো কাজ করে।
যেমন___CAP__ a-clox-500mg,clobex-500mg
মাত্রা___প্রত্যহ ১+১+১+১ করে অর্থাৎ ৬ঘন্টা পরপর ৭দিন সেব্য।

২।সারা শরীরে ব্যবহারের জন্য PERMETHRIN  যুক্ত ঔষধ ভালো কাজ করে।
যেমন___CREAM__permin,scabex
মাত্রা___প্রত্যহ গোছলের পর গলার নিচ থেকে শুরু করে পা পর্যন্ত সমস্ত শরীরে মাখতে হবে।এভাবে ৩ দিন ব্যবহার করবে।

৩।শরীরের চুলকানি বন্ধের জন্য CHLORPHENIRAMIN MALEAT  যুক্ত ঔষধ ।
 যেমন___TAB_histacin,histalex
মাত্রা___প্রত্যহ ১+০+১ করে ৭দিন সেব্য।

পথ্যঃ
        #যে সব খাবারে এলারজী,তা পরিহার করবে।
       
                #পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকবে।
                #নিজের রোগটি অন্যকে যেন সংক্রমিত করতে না পারে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
                #নিজের পোশাক নিজে পরিধান করবে।অন্যেরটা নেওয়া বা নিজেরটা দেওয়া পরিহার                             করবে।
               #আক্রান্ত স্থান নখ দিয়ে খোচাবে না।এতে ইনফেকশন হবার সম্ভবনা থাকে।



                                খোসপাঁচড়া বা চুলকানি বাড়তে থাকলে দ্রুত নিকটস্থ্ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাবে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন